Tuesday, May 28, 2019

হাওড়ায় অনুষ্ঠিত হল দুদিনব্যাপী আন্তঃ হাওড়া ২৯" একক ক্যারাম প্রতিযোগিতা


News H Times ওয়েব ডেস্ক:- উদয়ন সংঘের সংঘ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুদিনব্যাপী আন্তঃ হাওড়া ২৯" একক ক্যারাম প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতার আয়োজক ছিলেন" ২৯" ক্যারম একাডেমী"।
সহায়তায় চ্যাটার্জিহাট চারাবাগান উদয়ন সংঘ।

এই প্রতিযোগিতায় হাওড়ার মোট সাতটি ক্যারাম প্রেমী সংগঠন থেকে চল্লিশজন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাতটি ক্যারাম প্রেমী সংগঠন -
১) ২৯"ক্যারম একাডেমী২)চ্যাটার্জিহাট চারাবাগান উদয়ন সংঘ৩)কদমতলা মিলন সংঘ
৪)স্বামীজী স্পোর্টিং৫)ক্যারম ওয়ারিয়ার৬)চকপাড়া মিলনী
৭)পতিহার ক্যারম ইনস্টিটিউট

 প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। প্রতিযোগিতায় জয়ী হন বিশিষ্ট ক্যারম প্লেয়ার  দিলীপ পাখিরা ও
বিজয়ী হন সন্দীপ বসু। দুজনেই চ্যাটার্জিহাট চারাবাগান উদয়ন সংঘ এর সদস্য।



পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।  -
মদন মোহন মুখার্জি
(হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট ক্যারম এসোসিয়েশনের সম্পাদক)
দ্বিবেন্দু সিমলাই
(ক্যারম এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের সম্পাদক)
ডাক্তার সিদ্ধার্থ শঙ্কর বসু
(স্পোর্টস মেডিসিন)
অসীম পাল
(বিশিষ্ট ক্যারম প্লেয়ার)
উজ্জ্বল দত্ত
(ন্যাশনাল ক্যারম আম্পায়ার)
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য
(বিশিষ্ট ক্যারম প্লেয়ার ও উদয়ন সংঘের সভাপতি)
তপন দাস
(উদয়ন সংঘের সভাপতি)
চন্দ্রকান্ত বেরা
(উদয়ন সংঘের কোষাদক্ষ)

সমগ্র অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন উদয়ন সংঘের সম্পাদক অভিজিৎ রায়।



বক্তারা উৎসাহিত করেন প্রতিযোগীদের যাতে তাঁরা আরো ভালো করে এই খেলা খেলতে পারেন ও নিজেদের এই খেলায় প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।


স্পোর্টস মেডিসিন এর ডাক্তার বাবু সিদ্ধার্থ শঙ্কর বসু তুলে ধরেন কিভাবে প্লেয়ারদের বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত এবং কিভাবে নিজেদের শারীরিকভাবে সুস্থ রাখা উচিত। তার এই বক্তব্য অনুষ্ঠানের আরো একটু সুন্দর মাত্রাযোগ করে।





বাবা টোটো চালক,মা সাফাই কর্মী।ছেলে উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে সপ্তম


রণতোষ মুখোপাধ্যায়:- বাবাকে  সারাদিন  এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ছুটতে হয় টোটো নিয়ে একটু বেশি ভাড়ার তাগিদে। মা-ও সকাল থেকে বেরিয়ে যান হাসপাতালে  সাফাইয়ের কাজে। অভাব অনটন
পরিবারের নিত্য সঙ্গী। তবু প্রতিদিনের প্রতিকূলতার সাথে ওরা লড়াই চালিয়ে যান । মা বাবার এই লড়াই ই তাকে দিয়েছে  হার না মানা মানসিকতা।আর সেই মানসিকতা থেকেই   জেদ আর অধ্যাবসায়ে ভর করেই টোটোচালক বাবা ও সাফাইকর্মী মায়ের কৃতি সন্তান রাজীব হাজরা স্থান করে নিয়েছে উচ্চমাধ্যমিকের রাজ্যের মেধা তালিকায় সাত নম্বরে।  প্রতিবন্ধকতার দূর্গম গিরি,কান্তার মরু পেরিয়ে  বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র রাজীব হাজরার উচ্চ মাধ্যমিকে সপ্তম স্থান দখল করা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে গোটা রাজ্যে।  রাজীবের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯।





Monday, May 27, 2019

নিয়মকে বুড়ো আঙুল, মাতৃভূমি লোকালে খোঁজ নেই মহিলা কামরার!



News H Times ওয়েব ডেস্ক :- ইউপিএ সরকারের দ্বিতীয় দফায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১০ সালে মহিলাদের জন্য মাতৃভূমি লোকাল চালু করেছিলেন। সাধারণ যাত্রীদের কাছে যার পরিচিতি ‘লেডি়জ স্পেশ্যাল’ হিসেবে। কারণ শুরুর দিকে  ওই সব ট্রেনে পুরুষ যাত্রীরা উঠতে পারতেন না।

কিন্তু পরবর্তীতে  মাতৃভূমি লোকালে বেশ কিছু কামরা ফাঁকা যাচ্ছে, এই কারণ দেখিয়ে ওই ট্রেনগুলির মাঝের তিনটি কামরায় পুরুষদের ওঠার অধিকার দিয়েছিলেন রেল কর্তৃপক্ষ।
 
লোকসান কমাতে হাওড়া-ব্যান্ডেল ও হাওড়া-খড়্গপুর শাখায় মাতৃভূমি লোকালের নির্দিষ্ট কামরায় পুরুষ যাত্রীদের ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। যদিও শিয়ালদহ ডিভিশনের সবকটি লেডিজ স্পেশালে এই নিয়ম চালু করতে গিয়েই বেধেছিল বিপত্তি। পুরুষ ও মহিলা যাত্রীদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল এই শাখার একাধিক   স্টেশন। পরিস্থিতি আঁচ করে সেই সময় ঐ শাখায মাতৃভূমি লোকালে পুরুষ যাত্রী ওঠার অনুমতি দেওয়া থেকে সরে আসে রেল, যা নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। নিত্যযাত্রী পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে রীতিমতো বিভাজন সৃষ্টি হয়।অনেকে পিতৃভূমি লোকাল চালুর ও দাবি তোলেন।


হাওড়া-খড়গপুর শাখায় অফিস টাইমে মাতৃভূমি লোকালে প্রথম ও শেষ বগি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকলেও বাকি বগিগুলিতে পুরুষ যাত্রীরা উঠতে পারতেন।এই নিয়মেই এতদিন চলছিল এই ট্রেন।কিন্তু হঠাৎ করেই  বিভিন্ন স্টেশনে অপেক্ষারত মহিলা নিত্যযাত্রীরা এই ট্রেনে তাদের জন্য সংরক্ষিত প্রথম বা শেষ কামরায় উঠে দেখছেন আগে থেকেই সমস্ত আসন দখল করে বসে আছেন পুরুষ যাত্রীরা। যদিও রেলের তরফে এখনও পর্যন্ত  কোনও স্টেশনেই বা বিবৃতিতে জানানো হয়নি যে মাতৃভূমি লোকালে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত কামরা তুলে দেওয়া হয়েছে।
তাহলে কিসের ভিত্তিতে মহিলাদের কামরায় পুরুষ যাত্রীরা!

এই ট্রেনেরই  নিত্যযাত্রী  তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী প্রিয়াঙ্কা দে'র অভিযোগ, 'আমরা মহিলা নিত্যযাত্রীরা একসপ্তাহ ধরে এই সমস্যার সন্মুখীন হচ্ছি।
 মহিলা কামরায় আগে সবসময় আরপিএফ থাকলেও  আশ্চর্য্যজনক ভাবে   এখন আর তাদের দেখা যাচ্ছে না।আমি নিজে আন্দুলে রেল পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলেও তারা কোন রকম সহযোগিতা করেননি।এমনকি সাঁতরাগাছি স্টেশনে কর্তব্যরত আরপিএফ দের বিষয়টি জানালে তারা আমাকে অফিসে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জানাতে বলে। আমি লিখিত অভিযোগ জানাব দেখি রেল তারপর কি ব্যবস্থা নেয়'।

প্রিয়াঙ্কার মতো অনেক মহিলা নিত্যযাত্রীদেরই একই জিজ্ঞাসা,যখন সমস্ত লোকাল ট্রেনেই  মহিলাদের  জন্য সংরক্ষিত কামরা রয়েছে তখন হঠাৎ করে মাতৃভূমি লোকালে তা‌ উঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে কাদের মদতে! কেউ কেউ এর মধ্যে রাজনীতির গন্ধও খুঁজে পাচ্ছেন। যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ট্রেন চালু করেছিলেন,লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের ঠিক পরপরই এই ঘটনা আবারও পুরনো বিতর্ক সামনে এসেছে,তবে কি 'লেডিস স্পেশাল'  ট্রেন তুলে নেওয়া হবে ?
ঘটনা যে দিকেই গড়াক,যে কোন ও লোকাল ট্রেনেই মহিলা কামরা রাখা বাধ্যতামূলক ,তাই মাতৃভূমি
লোকালের ক্ষেত্রে  রেলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানতে চাইছেন এই ট্রেনে প্রতিদিনের  সওয়ার  মহিলা যাত্রীরা।





উচ্চমাধ্যমিকেও মেধাতালিকায় আন্দুল, অষ্টম ঝোড়হাটের কুন্তল

News H Timesওয়েব ডেস্ক:- মাধ্যমিকে মেধা তালিকায় সাফল্যের পর উচ্চমাধ্যমিকেও মেধাতালিকায় জায়গা করে নিল হাওড়ার আন্দুল। মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান লাভ করে আন্দুলকে গৌরবান্বিত করেছিল অঙ্কন।আর এবার উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে যেকজন অষ্টম স্থান লাভ করেছে তাদের মধ্যে আছে হাওড়ার আন্দুল ঝোড়হাট নিবাসী কুন্তল দাস।কুন্তল বি ই কলেজ মডেল স্কুলের ছাত্র। এ


প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৭ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার মেধা তালিকায় কুন্তল রাজ্যে  দশম স্থান অধিকার করেছিল।
উচ্চমাধ্যমিকে এই সাফল্যে র জন্য আজ‌ তাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন দ:হাওড়া র বিধায়ক ব্রজমোহন মজুমদার , শাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জয়ন্ত ঘোষ প্রমূখ।

উচ্ছে, বেগুন,পটল,মুলোর রোজনামচা থেকে বিরিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে সাফল্য


পৃথ্বীশরাজ কুন্তী: আঠারো বছর উচ্ছ্বল-আনন্দের। এ বয়স খেলাধূলা করার,এ বয়স বই-খাতা-কলম নিয়ে স্কুলে যাওয়ার এবং লেখা পড়া শিখে অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখার । কিন্তু চরম আর্থিক অনটনের কারণে উচ্ছ্বল-আনন্দ আর খেলাধূলায় ছেদ পরলেও লেখাপড়া করে বড় হওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায়নি আমতার উদং উচ্চ বিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী শিমুল চক্রবর্তীর। অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে পাথেয় করেই অভাব-অনটন-আর্থিক প্রতিকূলতার সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে বাজারে আনাজ বিক্রির কাজে সহায়তা করে পরিবারের অন্ন সংস্থানের পাশাপাশি লেখা পড়া চালিয়ে যাওয়া এই মেধাবী এবছর উচ্চমাধ্যমিকে ৪২৯ নাম্বার পেয়েছে।


শিমুলের বাড়ি আমতা-১ নং ব্লকের উদং গ্রামে। বাবা অশোক চক্রবর্তী দিন মজুর খেটে স্ত্রী,পুত্র-কন্যাসহ কোন মতে চার জনের সংসার চালাতেন। কিন্তু হঠাৎই দু'বছর আগে বাবাকে হারিয়ে অদ্ভুত এক আঁধারের সম্মুখীন হতে হল এই কৃতি ছাত্রের পরিবারকে।প্রবল অন্ধকারের মধ্যেও আঁধারের ভ্রুকুটিতে ভয়না রেখে আলোক উৎসের সন্ধানে ছুটে চলার নামই জীবনসংগ্রাম।একদিকে অসম্ভব দারিদ্র্য ও অন্যদিকে সংসারের হাল নিজের কাঁধে নিয়েই জীবন সংগ্রামের কঠিন সোপানগুলি অতিক্রম করার কাজে নামতে হল বছর আঠারোর এই ছাত্রকে।পড়াশোনার পাশাপাশি শুরু হল অন্ধকার থেকে আলোয় উত্তরণের এক অদম্য লড়াই।

সেই কৃতিই উচ্চমাধ্যমিকে বাংলায় ৯২,ইতিহাসে ৮১,ভূগোলে ৮৭,রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৮৫ ও সংস্কৃতে ৮৪ ও ইংরাজিতে ৫৭ পেয়েছে।
যে লড়াইয়ের সূচনা হয় ভোর চারটেয় ঘুমহীন ক্লান্ত চোখ মুছতে মুছতে স্থানীয় বাজারে ছোটার মধ্যে দিয়ে।সেখানে দশটা পর্যন্ত সব্জিবিক্রেতার কাজে সহায়তা করা,তারপর কোনোরকমে দু'এক মুঠো ভাত খেয়ে বিদ্যালয়ের পানে ছুটে চলা।কোনো কোনোদিন বা ভাতও জোটেনা ঠিকমতো।স্কুল থেকে ফিরেই সামান্য কিছু আয়ের আশায় আবারও তাকে ছুটতে হয় বাজারে সব্জি গোছানোর কাজে।সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে শুরু হয় নতুন স্বপ্ন দেখার এক অদম্য লড়াই।সেই লড়াই চলে মধ্যরাত অব্ধি বা কখনো তার অজান্তেই তা পৌঁছে যায় ভোর পর্যন্ত।তারপর আবার কাকভোরে ছুটে চলা বাজারের পানে।এটাই তো অস্ত্বিত্বের জন্য সংগ্রাম(Decent with modification),এটাই তো অন্ধকারের উৎস হতে আলোর পানে ছুটে চলার কঠোর সংগ্রাম!

শিমুলের মা কল্পনা চক্রবর্তী জানান,কোনরকমে অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে তাঁর মাসিক আয় ৬০০ টাকা।অন্যদিকে বাজারে কাজ করে ছেলের দৈনিক আয় ৫০ টাকা। ২১০০ টাকাতেই কোনোভাবে তিনজনের সংসার চলে।হ্যাঁ, শুনতে অনেকটা গল্পকথা মনে হলেও এটাই কঠিন বাস্তব।

এই চরম আর্থিক অনটনের মাঝেও পরিবারের সকল দায়িত্বভার গ্রহণ করার পাশাপাশি শুরু হল নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর লড়াই।যে ছেলেটি মাধ্যমিকে ৫৮ শতাংশ নাম্বার পেয়েছিল সে'ই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে লড়াই চালিয়ে একাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় কলা বিভাগে ৮০ শতাংশ নাম্বার পেয়ে তাক লাগিয়ে দিল।অন্যদিকে শিমুলের পাশাপাশি তার বোন শিউলিও শুরু করল তার অদম্য লড়াই।কিন্তু,নুন আনতে পান্তাফুরানোর সংসারে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া কার্যত যখন প্রশ্নচিহ্নের সম্মুখীন সেই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়ায়   স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।







ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার রিয়্যালিটি শো খ্যাত গায়ক


News H Timesওয়েব ডেস্ক:-ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার গায়ক সৌম্য চক্রবর্তী। দক্ষিণেশ্বরের বাসিন্দা এই গায়ক একাধিক রিয়ালিটি শো-এ গান গেয়ে সুনাম কুড়িয়েছেন। সৌম্যর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন রবীন্দ্রভারতীর এক ছাত্রী। অভিযোগ, ২০১৬ সালে দক্ষিণেশ্বরের বাড়িতে মাদক মেশানো পানীয় খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করে সৌম্য। তোলা হয় ছবিও। পরে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করে সৌম্য।যদিও তরুনী ঐ‌ গায়কের পূর্ব পরিচিত কিনা জানা যায়নি। ৫ মে সৌম্যর বিরুদ্ধে কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ঐ তরুণী। রবিবার গ্রেফতার করা হয় সৌম্যকে। 

সৌম্য চক্রবর্তী আদতে বাঁকুড়ার বাসিন্দা। সারেগামাপা-র চ্যাম্পিয়ন হওয়ার তিন বছর পর ২০১৮-তে তিনি ইন্ডিয়ান আইডলেও গিয়েছিলেন। এবার সেই খ্যাতনামা গায়কের বিরুদ্ধেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। প্রসঙ্গত, সারেগামাপা-এ জিতে সেবছরই ছোটবেলার বান্ধবী তথা প্রেমিকা রূপসাকে বিয়ে করেন সৌম্য। একটি দু’বছরের কন্যা সন্তানও রয়েছে তাঁদের।

রাজ্যে সপ্তম,উলুবেড়িয়ার বাগান্ডা জটাধারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফিদা খাতুন



হাওড়া শ্যামপুরে বাছরী যুব সংঘে মা সাজবেন রেশমী সুতোর সাজে

অর্পণ দাস:  হাওড়া গ্রামীণ অঞ্চলের শ্যামপুর থানার বাছরী গ্রামের "বাছরী যুব সংঘের" সার্বজনীন দুর্গোৎসবের এবছর ৫৩ তম বর্ষ । বিগত...