রণতোষ মুখোপাধ্যায়:- বাবাকে সারাদিন এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ছুটতে হয় টোটো নিয়ে একটু বেশি ভাড়ার তাগিদে। মা-ও সকাল থেকে বেরিয়ে যান হাসপাতালে সাফাইয়ের কাজে। অভাব অনটন
পরিবারের নিত্য সঙ্গী। তবু প্রতিদিনের প্রতিকূলতার সাথে ওরা লড়াই চালিয়ে যান । মা বাবার এই লড়াই ই তাকে দিয়েছে হার না মানা মানসিকতা।আর সেই মানসিকতা থেকেই জেদ আর অধ্যাবসায়ে ভর করেই টোটোচালক বাবা ও সাফাইকর্মী মায়ের কৃতি সন্তান রাজীব হাজরা স্থান করে নিয়েছে উচ্চমাধ্যমিকের রাজ্যের মেধা তালিকায় সাত নম্বরে। প্রতিবন্ধকতার দূর্গম গিরি,কান্তার মরু পেরিয়ে বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র রাজীব হাজরার উচ্চ মাধ্যমিকে সপ্তম স্থান দখল করা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে গোটা রাজ্যে। রাজীবের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯।





No comments:
Post a Comment