Thursday, June 6, 2019

মোদীর নির্বাচনী কৌশলী এবার মমতার


News H Times ওয়েব ডেস্ক:- ২০১৪ সালে 'অচ্ছে দিন'-এর স্লোগান দিয়ে গোটা দেশে 'ব্র্যান্ড মোদী'র  ভাবমূর্তি তৈরির নেপথ্যে যিনি ছিলেন সেই  প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে প্রশান্তের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, এক মাস পর থেকে মমতার সঙ্গে কাজ শুরু করবেন প্রশান্ত কিশোর।   
 ২০১৪ সালে তিনিই ছিলেন মোদীর নির্বাচনী কৌশলী। হিরে চিনতে ভুল হয়নি নরেন্দ্র মোদীর।  এরপর নীতীশ কুমারের সঙ্গেও কাজ করেন প্রশান্ত। তাঁকে বিহারের ক্যাবিনেট পদমর্যাদাও দিয়েছিলেন নীতীশ। 

মর্গ থেকে শরবতে ! বিষ বরফে নীলকন্ঠ ‌‌‌‌ শহর


রণতোষ মুখোপাধ্যায়:- চাঁদিফাটা রোদ্দুর , গলছে পিচ, পুড়ছে চামড়া।   রাস্তায় বেরিয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ। আর এই মুশকিল আসানে লস্যি থেকে আখের রস ,আমের শরবত থেকে লেবুর জল- তৃষ্ণার্ত খরিদ্দার কে প্রাণের আরাম দিতে  সবেতেই শীতল বরফকুচির ছোঁয়া। অথচ পয়সা খরচ করে আপনি যে শরবতের গ্লাসে গলা ভেজাচ্ছেন তাতে মিশে থাকা বরফের টুকরো মর্গ থেকে আনা নয়তো!



আপনার লেবু জলের গেলাসে টুকরো বরফখানা মর্গ থেকে আনা নয়তো!

আজ্ঞে হ্যাঁ। মৃতদেহ সংরক্ষণ, মাছ-সবজির সংরক্ষণে ব্যবহৃত এই ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইস’-ই নিরানব্বই শতাংশ দোকান বা রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া  ফ্রুট জুস ,লস্যি বা  লেবু জল হয়ে  প্রতিদিন ঢুকছে শহরবাসীর শরীরে!
যেহেতু এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল বরফ তৈরিই হয় অপরিশোধিত জল দিয়ে৷ ফলে এই বরফের জল থেকে টাইফয়েড, জন্ডিস, পাচনক্রিয়ায় ব্যঘাত ঘটানোর মতো অসুখ ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ হতে পারে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও।



কলকাতায়  নিউমার্কেট চত্বরে এবং হাওড়ায় জিটি রোড ও ময়দান সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে একাধিক ফলের রস, আখের রস, লস্যির দোকান।কিন্তু কি হাওড়া কি কলকাতা-সমস্ত দোকানগলিই নজরদারির অভাবে নোংরা জল দিয়ে তৈরি  সস্তার ইন্ডাস্ট্রিয়াল বরফ ব্যবহার করে পথ চলতি মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দেওয়ার নামে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হাওড়া পুরএলাকায় পুরসভার সক্রিয়তা বা কলকাতা পুরসভার এর বিরুদ্ধে অভিযান সবটাই প্রশ্নের মুখে। বছরে এক আধবার অভিযান চালালেও তা অনেকটা পানাপুকুরে ঢিল মারার সমার্থক । উপযুক্ত পরিকাঠামো ও অর্থের অভাবে পুর অভিযান ও এখন ধুঁকছে।
অথচ মুম্বই শহর ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল আইস বা বাণিজ্যিক বরফ কে নির্দিষ্ট একটি রঙে পৃথক করেছে।ফলে আপনি বাইরে থেকেই বুঝে যাবেন কোনটা খাবার যোগ্য আর কোনটা নয়। আর আমাদের শহর! এখনও সেই নজরদারিই ভরসা। আর ঐ এক আধবার নজরদারিতে যে ফল কিছুই হয়না তার প্রমাণ মিলবে কলকাতা বা হাওড়ার যে কোনও একটি শরবতের দোকানে উঁকি দিলেই, -রাস্তার ধারে নোংরাতেই ডাঁই করে‌ রাখা বরফের চাঁই, প্রয়োজন মতো একটি নোংরা বস্তায় ভরে‌ ভারী কিছু দিয়ে গুঁড়িয়ে তারপর মিশিয়ে দেওয়া হয় শরবতে-চিত্রটা সর্বত্রই এক।




কম খরচা করে যদি পকেট ভরা যায় তার উপর যদি নজরদারির অভাব থাকে কে আর অন্য পথে হাঁটতে চায়!তাই ফি বছর গরমে মানুষকে ঠান্ডা শরবতে তৃপ্তি দেওয়ার নামে   মৃতদেহ তাজা রাখার বরফ শরবতে মিশিয়ে নির্বিকার চিত্তে পয়সা রোজগার করে নিচ্ছেন।


আমাদের অন্তর্তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।   র শহর বা শহরতলির মর্গের সামনে থেকে অত্যন্ত কম দামে এই বরফ কেনেন বরফ বিক্রেতারা৷সেই বরফ জড়ো হয় হগ মার্কেটের আশেপাশে। তার পরে সেই বরফ শহরের বিভিন্ন প্রান্তের শরবতের দোকানদারা কিনে নিয়ে যান তাঁদের থেকে। এরপর সেই বরফ শরবতে মিশে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। চিকিৎসকদের মতে, এই বরফ দীর্ঘ সময়ের জন্য শরীরে গেলে পেটের সমস্যা ছাড়াও কিডনির সমস্যা,অন্ধ্যত্ব এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।

আর কি,ভাগাড়ে   মাংস তো‌ বঙ্গবাসী আগেই উদরে নিয়েছে আর এবার সেই বরফ উদরস্থের পালা যার উপরে কিছুক্ষণ আগেই হয়তো কোনও মৃতদেহ শায়িত ছিল। 
এ বঙ্গে ভাই সবই হয়,সব সত্যি।সব সত্যি।


Wednesday, June 5, 2019

নারায়ণ দেবনাথের 'বাঁটুল দি গ্ৰেট'র বাঁটুল নাকি তাঁকে কল্পনা করেই সৃষ্ট


,News H Times ওয়েব ডেস্ক:- নিজের উচ্চতা ছিল মাত্র ৪ফুটের কিছু বেশি কিন্তু এই সামান্য উচ্চতা নিয়েই তিনি বাঙালিকে পৌঁছে দিয়েছিলেন এক অন্য উচ্চতায়। সেই  মানুষটির  নাম মনোহর আইচ। বিশ্বশ্রী নামেই যিনি সারা দুনিয়ায় পরিচিত।
 মনোহর আইচ জন্মেছিলেন ১৭ ই মার্চ ১৯১৩ তারিখে অধুনা বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ধামতি নামক একটি প্রত্যন্ত গ্রামে। কিন্তু আর পাঁচজন বাঙ্গালীর ক্ষেত্রে যেমন হয়েছে, ঠিক তেমনই মনোহর আইচের পরিবারও দেশভাগ আর সাম্প্রদায়িক হানাহানির শিকার হয়ে চলে আসেন কলকাতার কাছে দমদমের নাগেরবাজারে। হয়ে যান একজন ভারতীয় নাগরিক।
পড়ালেখা করতেন ঢাকার জুবিলি স্কুলে। একবার সে স্কুলে জাদু দেখাতে আসেন বিখ্যাত জাদুশিল্পী পি সি সরকার। মনোহর আইচের শরীর চর্চা ও শরীর নির্ভর ক্রিয়াদি দেখে তার ভালো লাগে। তিনি তার দলে নিয়ে নেন তাকে।

মনোহর তখন পি সি সরকারের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তার ক্রীড়াকৌশল দেখাতে শুরু করেন। সেগুলোর মধ্যে ছিল:

দাঁত দিয়ে ইস্পাত বাঁকানো,
গলার সাহায্যে বল্লম আনমিত করা,
তরবারির উপর পেট রেখে শুয়ে থাকা,
দেড় হাজার পাতার বই নিমিষে ছিঁড়ে ফেলা ইত্যাদি জটিল সব খেলা।

মাত্র ১২ বছর বয়সে কালাজ্বর এর অতর্কিত আক্রমণ থেকে তার স্বাস্থ্য ভেঙ্গে গিয়েছিল। তবে তিনি নাকি শারীরিক ফিটনেস ব্যায়াম দিয়ে সেই শক্তি ফিরে পেয়েছিলেন। তিনি যেমন শরীরচর্চার ব্যায়াম শুরু করেছিলেন ছোট বয়সে, তেমনি তিনি তা ধরে রেখেছিলেন আমৃত্যু ।

   তিনি তিনবার এশিয়ান গেমস বডিবিলডারস জিতে স্বর্ণপদক পেয়ে ছিলেন। আর মানুষটির উচ্চতা ছিল শুধুমাত্র ৪ফুট ১১ইঞ্চি, মানে ১.৫০ মিটার। তিনি “পকেট হারকিউলেস” নামেও পরিচিতি।


১৯৪৩ সালে তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যোগদান করেছিলেন।   ভারতের ব্রিটিশ রয়াল এয়ার ফোর্সে যখন তিনি যোগ দিয়েছিলেন তখন ভারতে ব্রিটিশ শাসন চলছে। এয়ার ফোর্সের একজন অফিসার ছিলেন রিউব মার্টিন। মনোহরের শরীরচর্চা প্রীতি দেখে তিনি তাকে উৎসাহ দেন এবং আধুনিক অনেক শরীরচর্চা পদ্ধতির সাথে তাকে পরিচিত করান। মনোহর সেই সময়ে শরীরচর্চা তথা ওয়েট ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে নিজের দেহকে এমনভাবে নির্মাণ করেন যে রয়াল ফোর্সের অন্য সবার প্রশংসার পাত্র হয়ে উঠেন।

কিন্তু একদিন এক অফিসারের সাথে তার তর্ক শুরু হয়। তর্কের বিষয় ছিল ব্রিটিশ শাসকদের ভারতে প্রজাদের উপর নির্যাতন-শোষণ নিয়ে। সেই অফিসার ভারত সম্পর্কে তাচ্ছিল্যপূর্ণ এক মন্তব্য করে বসেন। মনোহর তার রাগ সামলে রাখতে পারেন নি। কষে এক চড় বসিয়ে দেন তাকে। এই কাজের জন্য মনোহরকে জেলে ঢোকানো হয়।  দেশ স্বাধীন হলে ছাড়া পাান মনোহর আইচ।   ১৯৫০ সালে, মনোহর আইচ জিতেছিলেন মিস্টার হারকিউলেস প্রতিযোগিতা। ১৯৫১ সালে তিনি মিস্টার ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন। ১৯৫২ সালে তিনি মিস্টার ইউনিভার্স খেতাব জেতেন। ১৯৫৫ সালে তিনি মিস্টার ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার দাঁড়িয়ে তৃতীয় এবং ১৯৬০ সালে তিনি ৪৭ বৎসর বয়সে দাঁড়িয়ে মিস্টার ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার চতুর্থ স্থান পেয়েছিলেন।দীর্ঘদিন অসুস্থতায় ভুগে ২০১৬ সালের ৫ই জুন বার্ধক্য জনিত রোগে প্রয়াত হন বিশ্বশ্রী মনোহর আইচ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর।



ঈদের দিনে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল, শালিমার-মুম্বই এক্সপ্রেসে বিস্ফোরক


News H Timesওয়েব ডেস্ক:- শালিমার লোকমান্য তিলক এক্সপ্রেসে মিলল বিস্ফোরক। আজ সকালে  মুম্বই স্টেশনে পৌঁছানোর পর যখন  ট্রেনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে ইয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সাফাইয়ের সময় মেলে বিস্ফোরক। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে লোকমান্য তিলক টার্মিনাস সংলগ্ন এলাকায়। এলাকায় পৌঁছয় জিআরপি, আরপিএফ ও বম্ব স্কোয়াড। বিস্ফোরকের সঙ্গে লাগানো ছিল ব্যাটারি ও তার। ডিটোনেটরের সংযোগে এলে ঘটতে পারত বিস্ফোরণ। শেষ পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বিস্ফোরক।

তবে কীভাবে এই পরিমাণ বিস্ফোরক ট্রেনে আসল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। রাতের অন্ধকারে কোনও স্টেশন থেকে সেগুলি তোলা হয়েছে নাকি শালিমার স্টেশন থেকেই সেগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।  ইতিমধ্যে এই ট্রেনে ডিউটি করেছেন এমন আধিকারিকদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদও। ইতিমধ্যে শালিমার স্টেশনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Tuesday, June 4, 2019

আন্দুল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সরস্বতী নদীর পথ আটকে চলছে বেআইনি নির্মাণ


ও নদী রে,
একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে
বল কোথায় তোমার দেশ
 তোমার নেইকি চলার শেষ---

News H Timesওয়েব ডেস্ক :- হয়তো শেষ নেই,কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ শেষ করে দেওয়ার খেলায় নেমেছেন। রাজনৈতিক মদতে সেই খেলা এখন সর্বগ্ৰাসী। হাওড়া জুড়ে একদিকে যখন পুকুর বা জলাভূমি ভরাট করে বেআইনি নির্মাণের রমরমা কারবার চলছে অন্যদিকে তখন সরস্বতী নদীর পাড় বরাবর গড়ে উঠছে একের পর এক বেআইনি নির্মাণ। অথচ  ১৯৭৮ এর ভয়াবহ বন্যায় আন্দুল, মৌড়ি, ডোমজুড় সহ বিস্তীর্ন অঞ্চলকে ভয়ংকর ক্ষতির থেকে রক্ষা করেছিল এই সরস্বতী নদী।আর  আজ সেই নদীকে সংকীর্ণ করে সেই জমি লুঠ করছে রাজনৈতিক মদতপুষ্ট একদল লুম্পেন প্রমোটার।

অনেকেই জানেন না, রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার ৩২.১০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছিলেন সরস্বতী নদীর সংস্কার খাতে। কোথায় সেই কাজ, খরচের হিসেব কে দেবে?

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে  (মামলা নং: ৬০৮৮/০৬) পরিষ্কার বলা আছে ,সরস্বতী নদীর পাড়ে বে-আইনি নির্মান বিলি বা বিক্রয়, বা নতুন নির্মান সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু বাস্তব চিত্র কি বলছে? বাস্তব এটাই আদালতের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হাওড়ার বহু জায়গায় সরস্বতী নদীকে সংকীর্ণ করে সেই জমি লুঠ করে স্থায়ী কংক্রিটের একাধিক নির্মাণ গড়ে উঠছে ।



সরস্বতীকে শেষ করে দেবার এই  চক্রান্তের শিকড় প্রবেশ করেছে অনেক গভীরে। অভিযোগ,সরস্বতী নদীর মাপজোখ সম্বলিত  কাগজপত্র ও নাকি বেপাওা!কেন?তার পাড় বরাবর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা নির্মাণে যাতে হাত না পড়ে? আন্দুল বাজার সংলগ্ন জনবহুল এলাকায় এইভাবে সরস্বতী নদীর পথ আটকে এই নির্মাণ গড়ে উঠলেও কেন চুপ 'হাওড়া সরস্বতী নদী বাঁচাও কমিটি'। পূর্বতন 'সরস্বতী নদী বাঁচাও কমিটি 'মহালয়ার দিনে শাঁখ বাজানোর কর্মসূচী নিয়েছিল ,তাতে অবশ্য রক্ষা হয়নি সরস্বতীর আর এখনকার কমিটির তৎপরতা কতটা তার প্রমাণ এই ছবি।
সরস্বতী নদী বাঁচানোর আদৌ কোনও কর্মসূচী আছে নাকি তলে তলে সবটাই পকেট ভরানোর ফিকির!
প্রশ্ন অনেক কিন্তু উওর আজ পথ হারিয়েছে সরস্বতী নদীর মতই।

Monday, June 3, 2019

আবারও অস্ত্র কারখানার হদিশ মিলল হাওড়ায়


News H Timesওয়েব ডেস্ক:- ফেরঅস্ত্রকারখানার হদিশ হাওড়ায়।দুদিন আগেই হাওড়া পিলখানায় একটি বেআইনি আস্ত্রকারখানার হদিশ পেয়েছিল গোলাবাড়ি থানার পুলিশ।গতকাল গোলাবাড়ি থানার এলাকার বিজয় কুমার মুখার্জি লেনের একটি বাড়িতে  আবার ও
পুলিশ অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল।সেখান থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা দফতরের একটি টিম গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন ওই বাড়িতে হানা দেয়।মোহিত
পান্ডের বাড়িতে এই অস্ত্র তৈরি হচ্ছিল।মোহিত কে জেরা করে পুলিশ মনু কেশরির নাম জানতে পারে। এখানে নিয়মিত অস্ত্র তৈরি হয়ে তা বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হতো বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।এই ঘটনায়  মোহিত পান্ডে ও মনু কেশরি নামে দু'জনকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। এইভাবে হাওড়া স্টেশনের আশেপাশে অস্ত্র তৈরির কারখানা গজিয়ে ওঠায় পুলিশ অত্যন্ত চিন্তিত। শুধু হাওড়ায় তৈরি করা নয়,এই সমস্ত অস্ত্র ভিন রাজ্যে পাচারের জন্য হাওড়া স্টেশন কেই বেছে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা।
হাওড়ায় এতদিন ধরে এত অস্ত্র কারখানা চলছে অথচ পুলিশ তা কেন জানতে পারলনা,তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


Saturday, June 1, 2019

বেআইনি নির্মাণের স্বর্গরাজ্য হাওড়া, পর্দা ফাঁস হাওড়া টাইমস'র


News H Timesওয়েব ডেস্ক:- বেঙ্গল মিউনিসিপ্যাল আইন অনুযায়ী চারতলা একটি বাড়ির অনুমোদন দিতে গেলে দেখতে হবে  সেখানে সামনে কমপক্ষে ১৫ ফুটের রাস্তা থাকতে হবে। বহুতলের ক্ষেত্রেও আইন স্পষ্ট।অথচ বাম আমল থেকেই আইন ভাঙার যে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি দেখা যেত এখন তা একেবারে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের,বক্স অফিসে হিট।আর তাই বাম আমলের  ১০ ফুট কমতে কমতে আজ দু থেকে আড়াই ফুট গলির মধ্যেও পাঁচতলা বিল্ডিং মাথা তুলেছে। কোনও রকম দূর্ঘটনা ঘটলে দমকলের ইঞ্জিন যেমন ঢুকতে পারবেনা তেমনই আশে পাশের বাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।

হাওড়া পুরসভায় ছ'জনের প্রশাসকমন্ডলী গঠনের পরই বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।কি সেই কঠোর পদক্ষেপ?
বেআইনি নির্মাণ ভাঙার জন্য নোটিশ জারি করা।
বেশকিছু সংস্থাকে এই সংক্রান্ত নোটিশ পাঠানোর পরই তারা আদালতের দ্বারস্থ হওয়াতে পুরসভার 'কঠোর সিদ্ধান্ত' আপাতত বিশ বাঁও জলে। পুরসভার প্যানেলভুক্ত আইনজীবীরা সেই মামলা লড়বেন , মামলার নিষ্পত্তি হবে তবে না নির্মাণ ভাঙার প্রশ্ন!প্রায় ৩০টি  নির্মাণ সংস্থাকে নোটিশ দিয়ে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যে সমস্ত বিল্ডিং প্ল্যান গত কয়েকবছরে অনুমোদন পেয়েছে, সেখানেও বেআইনি কিছু হচ্ছে কিনা তার দেখার জন্য  প্রতিটি বরো অফিসের অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই নিয়ে নিয়মিত পরিদর্শন করে কমিশনারের কাছে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
হাওড়া পুরসভার কমিশনার তথা প্রশাসক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য বিজিন কৃষ্ণার বক্তব্য, বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে আমরা কোনওরকম আপস করবো না
আর প্রশ্ন এখানেই, হাওড়ার অলি গলি র একটা বাচ্চাও জানে হাওড়ায় বেআইনি নির্মাণ  নিয়ে ঠিকমতো তদন্ত করলে  ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে।

                               ৩৩ নং ওয়ার্ড,
                     ৯ বিনোদ বিহারী হালদার লেন
                      সরু গলির ভিতরেও মাথা
                              তুলেছে বহুতল।

সম্প্রতি, উত্তর হাওড়ার মদন বিশ্বাস লেনে একটি নির্মীয়মান বহুতলের একতলার অংশ হঠাৎ মাটিতে বসে যায়।ঘটনা পর পুরসভা জানতে পারে সেটি বেআইনি। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, এলাকার কচি নেতাদের সিন্ডিকেট ব্যবসা র রমরমার পাশাপাশি এই ধরনের অসংখ্য বেআইনি নির্মাণে পকেট ভরছে হাওড়া পুরসভার এক শ্রেণীর অসাধু কর্মী থেকে কাউন্সিলরদের।সরু ঘুপচি জায়গায় গা ঘেঁষে একের পর এক বেআইনি নির্মাণ মাথা তুলছে হাওড়া শহরের সর্বত্র।
মাসখানেক আগে এই সালকিয়ারই   ত্রিপুরা রায় লেনেই    এলাকার একজন নবান্নের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাগিয়ে দেবার চেষ্টা হলেও অভিযোগ উঠেছিল প্রোমোটারের নিপীড়নের চাপ সামলাতে না পেরেই তিনি এই কান্ড ঘটিয়েছিলেন।আরও অভিযোগ,   শাসকদলের এক নেতার যোগ থাকায়  সেই ঘটনার  সঠিক তদন্ত না হয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়।  সালকিয়ার ঐ বেআইনি নির্মাণ ভাঙা শুরু হলেও এই  ঘটনাতেও প্রোমোটার ও রাজনৈতিক যোগসাজশের অসাধু আঁতাত আর একবার স্পষ্ট হল বলে মত হাওড়াবাসীর।

হাওড়া শ্যামপুরে বাছরী যুব সংঘে মা সাজবেন রেশমী সুতোর সাজে

অর্পণ দাস:  হাওড়া গ্রামীণ অঞ্চলের শ্যামপুর থানার বাছরী গ্রামের "বাছরী যুব সংঘের" সার্বজনীন দুর্গোৎসবের এবছর ৫৩ তম বর্ষ । বিগত...