Tuesday, June 25, 2019

রাস্তা আটকে নমাজের পাল্টা হাওড়ার বালিখালে রাস্তা আটকে‌ হনুমান চালিশা পাঠ বিজেপির


News H Times ডিজিটাল ডেস্ক:-লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে একাধিক ইস্যুতে চলছে তৃণমূল-বিজেপি তরজা, যার নবতম সংযোজন,  রাস্তা আটকে নমাজ পাঠ নিয়ে বিরোধিতা করে রাস্তা আটকে হনুমান চালিশা পাঠ কর্মসূচী ।

 প্রতি শুক্রবার মসজিদে বিশেষ নমাজ পাঠ করেন মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা৷ অনেক সময় মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায় বসেও নমাজ পাঠ করেন তাঁরা৷ তার জেরে যানজটের সমস্যা তৈরি হয় । জুম্বাবারে রাস্তায় নমাজ পাঠের  জেরে যানযটের এই  সমস্যাকে ইস্যু করেই এবার ময়দানে গেরুয়া শিবির ।

এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ওপি সিং বলেন, ‘‘প্রতি শুক্রবার নমাজের জন্য গ্র্যান্ড ট্যাংক রোড-সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায়৷ রোগী মারা যাচ্ছেন৷ অফিসযাত্রীরা সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন না৷ তাই শুক্রবারের নমাজের পালটা হিসাবে এবার থেকে  মঙ্গলবার রাস্তায় বসে হনুমান চালিশা পাঠ করবেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা৷ গতকাল হাওড়ার বালিখালের কাছে রীতিমতো রাস্তা আটকে হনুমান চালিশা পাঠও করেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক৷


 এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস হাওড়া জেলার (সদর) সভাপতি তথা সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ‘‘আমরা নমাজ পাঠ জন্ম থেকে দেখে আসছি।  এটা একটা ধর্মীয় রীতি। বিজেপি এসব করে রাজ্যে বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে।’’

রাতের চন্দননগর স্টেশনে জিআরপি'র বিরুদ্ধে মোবাইল সহ টাকাপয়সা লুটের অভিযোগ


News H Times ডিজিটাল মিডিয়া:-চাঞ্চল্যকর অভিযোগ চন্দননগর জিআরপি'র বিরুদ্ধে!

রাতের শেষ ট্রেন মিস হয়ে যাওয়ায় চন্দননগর স্টেশনকেই "সেফ জোন" মনে করে রাত কাটাতে গিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন জনৈক পাভেল ঘোষ।তাঁর অভিযোগ, রক্ষকরাই ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেছিল সেই রাতে।তাঁর মোবাইল ফোন ও  সঙ্গে থাকা সমস্ত টাকাপয়সা কেড়ে নেয় এক জিআরপি। প্রতিবাদ করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় তাকে।ফোনটি ফেরত না পেলে তার চাকরি থাকবেনা ,বার বার ফোন ফেরতের আবেদন করলে তাকে পরেরদিন ফোনের ডকুমেন্ট নিয়ে এসে ফোন ফেরত নিয়ে যেতে বলা হয় জিআরপি র তরফে। পরেরদিন উপযুক্ত কাগজ নিয়ে গেলে তারা ফোন কেড়ে নেওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে যান। এমনকি তাকে চিনতে  অস্বীকার পর্যন্ত  করা হয় জিআরপি'র তরফে বলে অভিযোগ পাভেলের।   উল্টে তারা পাভেলকে জিডি  করতে বললে পাভেল বলেন ,"ফোন তো আপনারাই নিয়েছেন। আপনাদের নামেই তো জি ডি  করতে হয় "!


রাতের রেল স্টেশনে  জিআরপির অত্যাচারের অনেক ঘটনা আগেও ঘটেছে বিভিন্ন স্টেশনে। টাকাপয়সা কেড়ে নেওয়া থেকে শুরু করে মারধর এমনকি মৃত্যুর ঘটনার ও নজির আছে। এই ঘটনা সেগুলির মধ্যে  নবতম সংযোজন।
রাতের রেল স্টেশন বা প্ল্যাটফর্মে যদি পুরুষদেরই  সুরক্ষা না থাকে‌ তাহলে মহিলাদের ক্ষেত্রে তা  কতটা নিরাপদ,  এই ঘটনা   আরও একবার  চোখে আঙুল দিয়ে তা  দেখিয়ে দিল।

ইতিহাস এবং শরবতের এক অনন্যসাধারণ যুগলবন্দী শতাব্দী প্রাচীন 'প্যারামাউন্ট'


 রণতোষ  মুখোপাধ্যায়:-  শরবতের দোকান তাও আবার শতাব্দী প্রাচীন! এই একশো বছর ধরে শুধু শরবতে মজিয়ে রাখা নয়,একশো বছর ধরে বাংলার এক অজানা  ইতিহাস- ঐতিহ্য কে বাঁচিয়ে রাখার নাম  প্যারামাউন্ট।

বরিশালের কাঁচাবেড়িয়া গ্রামে ছিল নীরাঞ্জন মজুমদারের বাড়ি। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, বরিশাল অনুশীলন সমিতির সদস্য। ১৯১৮ সালে নীহাররঞ্জন মজুমদার কলকাতা এসে এই প্রতিষ্ঠানের সূচনা করেন, তখন এর নাম ছিল প্যারাডাইস। কিন্তু শরবত বিক্রি তাঁর প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল না। শরবতকে সামনে রেখে দোকানের পিছনে চলত স্বদেশী কাজ কর্ম।কে না আসতেন এখানে! বিপ্লবী সতীন সেন, বাঘাযতীন থেকে শুরু করে
এখানে এসেছেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুও।  এক গ্লাস শরবতের আড়ালে গুপ্ত সমিতির কাজ। কিন্তু ব্রিটিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এই গোপন অনুশীলন কেন্দ্র একদিন ধরা পড়ে গেল। পুলিশ এসে বন্ধ করে দিল শরবতের দোকান। অনেকগুলো বছর বন্ধ হয়ে পরে থাকার পর  ১৯৩৭ এ ফের  খুলল দোকান । এবার  ‘প্যারাডাইস’এর নাম বদলে রাখা হল প্যারামাউন্ট।


বল বীর, বল উন্নত মম শির’-এর বিদ্রোহী  কবি যেমন  এখানে নিয়মিত আসতেন শরবতের টানে তেমনই  সত্যজিৎ রায় থেকে উত্তম কুমার,সুচিত্রা সেন -প্যারামাউন্টের শরবতের সমঝদারের তালিকাটা ওখানেই বেশ বড়।

ডাবের শরবত , যা এই দোকানের বিশেষ সর্বতগুলির মধ্যে অন্যতম - সেই  শরবতের রেসিপি যাঁর দেওয়া তাঁর নাম আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় !
আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় নীহাররঞ্জন মজুমদারকে বলেছিলেন কীভাবে ডাবের শাঁস মিশিয়ে শরবতে আনতে হবে নতুন স্বাদ। সেই ভারতীয় বিজ্ঞানীর রেসিপিতেই  একশো বছর ধরে  নট আউট।
এখানকার উল্লেখযোগ্য শরবত হচ্ছেকোকো মালাই, ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া, পাইনঅ্যাপেল মালাই, ডাব শরবত, ক্রিমরোজ, লিচুর শরবত, খাস সিরাপ, লেমন সিরাপ, গ্রিন ম্যাঙ্গো, আঙুর শরবত ইত্যাদি।

শরবতের কত বৈচিত্র্য হতে পারে ত প্যারামাউন্টে না এলে জানা সম্ভব নয়।তাই এই দহন দিনে শুধু গলা ভেজাতে নয়,ইতিহাস কে একবার ছুয়ে দেখতেও যেতে পারেন প্যারামাউন্টে।



Monday, June 24, 2019

রাজ্যে কি ফের সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন !


 News H Times ডিজিটাল ডেস্ক:- হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন থেকে কলকাতা এসটিএফের হাতে গ্রেফতার ৪ জামাত জঙ্গি।   পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশের বাসিন্দা৷ আরেক জন বীরভূমের বাসিন্দা৷ তদন্তের স্বার্থে ওই জঙ্গিদের নাম জানায়নি পুলিশ। সূত্রের খবর, এরা মূলতঃ জামাতের হয়ে অর্থ সংগ্রহ ও নতুন জঙ্গি নিয়োগের কাজ করত। সোশাল মিডিয়াতেও এরা যথেষ্ট সক্রিয় ছিল। 


গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কলকাতা এসটিএফ শিয়ালদা স্টেশন থেকে বাংলাদেশের চাপাই-নবাবগঞ্জের বাসিন্দা মহম্মদ জিয়াউর রহমান ও রংপুরের বাসিন্দা মামোনুর রশিদ এবং হাওড়া স্টেশন থেকে বাংলাদেশের রাজশাহীর বাসিন্দা মহম্মদ শাহিন আলম ও বীরভূমের নয়াগ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে। 

ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সন্ত্রাসবাদের প্রচার সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন ও আইএস-এর ভিডিও।

ধৃতদের আজ ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হচ্ছে।

আবারও পিছিয়ে গেল উলুবেড়িয়া উড়ালপুলের অসমাপ্ত অংশ জোড়া লাগানোর কাজ


News H Times ডিজিটাল ডেস্ক:- আবারও পিছিয়ে গেল উলুবেড়িয়া উড়ালপুলের অসমাপ্ত অংশ জোড়ার লাগানোর কাজ। প্রাথমিক পর্যায়ে দঃপূঃ রেলের তরফে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আগামী ২৯ এ জুন রাতে উড়ালপুলের জোড়া লাগানোর কাজটি করা হবে। কিন্তু রেল ও রাজ্য সরকারের পূর্ত দপ্তরের আধিকারিক এবং বাস্তুকাররা প্রস্তাবিত সংযোগস্থল পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেন,ঐ অংশে লাইনের দুদিকের নিচু অংশ আগে মাটি ফেলে উঁচু করতে হবে। ফাঁকা অংশে স্টিল গার্ডার লাগানোর ক্ষেত্রে এই মাটি ফেলে উঁচু করা ছাড়াও আরও কিছু আনুষঙ্গিক কাজও জরুরি যা ২৯ জুনের মধ্যে করে ওঠা সম্ভব নয়। সেই প্রস্তাব মতো আগামী ৬ জুলাই রাতে এই কাজ হওয়ার দিন ধার্য হয়েছে। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি রেলের তরফে থেকে।
এভাবে বারংবার কাজ পিছিয়ে যাওয়ায় ৩০ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার এই প্রকল্প আজ তার  নির্মাণ খরচ    বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ কোটি টাকা।


উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে উড়ালপুলটির বেশিরভাগ অংশই নির্মাণ হয়ে গেলেও রেল লাইনের উপরে থাকা (৬২মিটার অংশের মধ্যে  ৩২ মিটার কাজ হয়ে গেছে) বাকি ৩০ মিটার জোড়ার ক্ষেত্রে সময় নিয়ে রেল ও পূর্ত দপ্তরের টানাপোড়েনে ঐ ফাঁকা অংশটি জোড়া লাগেনি। প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়  আগামী ২৯ জুন রাত ১০-৩০ থেকে ৩০ জুন সকাল ৮-৩০মিনিট পর্যন্ত (১০ঘন্টা)দক্ষিণ-পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়গপুর ডিভিশনের ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

 উড়ালপুলটি  সম্পূর্ণ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীরা,কলেজে আসা ছাত্র-ছাত্রীরা উলুবেড়িয়া লেভেল ক্রসিংয়ে দীর্ঘ যন্ত্রনার হাত থেকে মুক্তি পাবে।


মা সারদার পদধূলি ধন্য রামমন্দিরের পুকুর বুজিয়ে বেআইনি নির্মাণ


রণতোষ মুখোপাধ্যায়:-
দুই জেলা, দুই ভিন্ন চিত্র।
(১) জেলা হূগলি। চূচূঁড়ার স্থানীয় বিধায়ক অসিত মজুমদার  নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বেআইনি ভাবে ভরাট হয়ে যাওয়া পুকুর খুঁড়ে সেটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিচ্ছেন।

(২) জেলা হাওড়া।রামরাজাতলার স্থানীয় বিধায়ক নিজে দাঁড়িয়ে থেকে রামমন্দিরের প্রাচীন ঐতিহাসিক পুকুরকে বুজিয়ে তার উপরে গড়ে তুলছেন বেআইনি নির্মাণ!

এলাকায় বিধায়কের প্রভাব এতটাই যে ,রামরাজাতলার বুক থেকে একটুকরো ইতিহাসকে মুছে ফেলা হচ্ছে তা চোখের সামনে দেখেও কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস করেননি।  প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি "জয় শ্রী রাম"-ধ্বনি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি উত্তাল, তখন সুকৌশলে রামের সম্পত্তি(রামরাজাতলার রামঠাকুরের)বেচে কাটমানি খাওয়ার এই প্রচেষ্টা কি তবে রাজ্যের শাসকদলের এক  বিধায়কের রাম বিরোধী 'জেহাদ' বিজেপির বিরুদ্ধে?

শাসকদলের সর্বোচ্চ স্তর থেকে যারা বলেন ,'রাম আমাদের দেবতা নয়'-তারা বোধহয় জানেননা হাওড়ার রামরাজাতলায় ২৫০বছরেও বেশি সময় ধরে রামঠাকুরের পুজো হয়ে আসছে।আসলে 'মানুষ ই দেবতা গড়ে তাহার কৃপার পরে হয় দেবমহিমা নির্ভর' তাই দেবতার কোনও বাঙালি-অবাঙালি হয়না।তাই এই রামপুজোর প্রথমদিন হাওড়া ছাড়াও বিভিন্ন  জেলা থেকে বাড়ির গৃহিণীরা উপোস করে পুজো দিতে আসেন রামরাজাতলার এই রামমন্দিরে।

'রামরাজা মন্দির উন্নয়ন পরিষদ'। স্থানীয় বিধায়ক জটু লাহিড়ী এই উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি।কিন্তু কান পাতলেই শোনা যায়, এই পরিষদের নামের সাথে 'উন্নয়ন' যুক্ত থাকলেও উন্নয়নের বদলে এই কমিটির রন্ধ্রে রন্ধ্রে নাকি দূর্নীতি।কমিটিতে অনেকে থাকলেও ব-কলমে শেষ কথা বলেন  ঐ  বিধায়ক-ই।
আসলে সুকৌশলে একটি ব্যক্তিগত সম্পত্তিকে জনগণের সম্পত্তি দেখিয়ে  লক্ষ লক্ষ টাকা কাটমানি খাওয়ার এও এক গভীর চক্রান্ত।

উন্নয়ন মানে কি ? একটি ঐতিহাসিক পুকুরকে বুজিয়ে তার উপরে দোকানঘর বা বহুতল নির্মাণ করা নাকি সেটিকে সুন্দরভাবে সংস্কার করে ইতিহাসকে উপযুক্ত মর্যাদা দেওয়া!
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় যেকটি বিশিষ্ট তীর্থস্থান বা মন্দির আছে একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে সেগুলি সংলগ্ন একটি করে  পুকুর আছে। প্রতিটি পুকুরের ই কমবেশি ধর্মীয় মাহাত্ম্য রয়েছে।রামরাজাতলায় রামের যে পুকুরটি বুজিয়ে ফেলা হয়েছে তার গুরুত্বও নেহাত কম নয়।

১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে সারদা দেবীর পদধূলি পড়েছিল হাওড়ার রামরাজাতলায়।ঐ বছর জ্যৈষ্ঠ মাসে মা সারদার পানিবসন্ত হয়েছিল।সেরে ওঠার পরে গোলাপ মা এবং যোগীন মা'র সঙ্গে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুরে নবগোপাল বাবুর বাসায় আসেন।শোনা যায়,রামমন্দির সংলগ্ন পুকুরে স্নান করে তিনি রামমন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন।
মা সারদার পদধূলি ধন্য পূতপবিত্র সেই পূস্করিণীর সংস্কার করলে  মন্দিরে আগত  ভক্তরা যেখানে মা সারদার অস্তিত্বের অংশীদার হতে পারতেন সেখানে উন্নয়নের ধামাধারী উন্নয়ন পরিষদ ও পরিষদের সভাপতি আস্ত একটা ঐতিহাসিক পুকুরকেই বুজিয়ে ফেললেন টাকার লোভে?
এও তো এক 'সারদা কেলেঙ্কারি' যেখানে মা সারদার স্মৃতিধন্য পুকুর বুজিয়ে বেআইনি  প্রোমোটিং হয়!


শুধুমাত্র ঐতিহাসিক গুরুত্ব নয়, এই পুকুরটির অবস্থানগত গুরুত্বও  অপরিসীম।রামরাজাতলার এই রামমন্দিরে রাম পুজোকে কেন্দ্র করে রামনবমী থেকে শুরু হয়ে  প্রায় তিন মাস ব্যাপী মেলা বসে। বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার ভক্ত প্রতিদিনই ভিড় জমান এই মন্দিরে। প্রতিদিন দেবতার অন্নভোগেরও আয়োজন হয়। হঠাৎ কোনও কারনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে জলের উৎস ছিল একমাত্র ঐ পুকুরটিই।এর আগে দু-দুবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচিয়ে ছিল ঐ পুকুর ই।আজ যার কোনও অস্তিত্ব ই নেই। আজ ঐ‌ জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালে চোখে পড়বে নির্মীয়মান ইট কাঠ পাথরের জঙ্গল।অথচ পুরসভার খাতায় কলমে  সেটি পুকুর।

রামের পুকুর বুজিয়ে নির্মাণের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ জারি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হাওড়া পৌরসভা। স্থগিতাদেশ পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, ২৮নং রামচরণ শেঠ রোডের ঐ নির্দিষ্ট জলাশয়টিকে(রামের পুকুর)নোটিশ পাওয়ার ২১ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।নচেৎ ১৭এ পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে ঐ ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুরসভার সেই বিজ্ঞপ্তি টালবাহানার পর গ্ৰহণও করে উন্নয়ন পরিষদ'।২ মে এই বিজ্ঞপ্তি গ্ৰহণ করেন রামরাজা উন্নয়ন পর্ষদের সম্পাদক উদয় চৌধুরী। ২১ দিন কেটে গেছে। আজ ২৪ জুন।দেড় মাসেরও  বেশি সময় অতিবাহিত।আগের অবস্থায় কি ফিরেছে মা সারদার স্মৃতিধন্য সেই রাম মন্দিরের পুকুর?-------    -চলবে।



         ৯ লক্ষেরও বেশি পাঠক-দর্শক
       বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন(৮৯১০৪৬৩১১৭)




Sunday, June 23, 2019

সুস্থ অভিনেতার মৃত্যুর খবর ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়


News H Times ডিজিটাল ডেস্ক:- রবিবার সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতে শুরু করে অভিনেতা ভিক্টর ব্যানার্জির মৃত্যুর খবর। অভিনেতার ছবি অনেকেই ফেসবুকে পোস্ট করে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করতে শুরু করেন।



‘রঙ্গোমোতি’ নাট্যগোষ্ঠী এই খবর ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ। যীশু সেনগুপ্ত’র নামে থাকা একটি পেজে ভিক্টরের মৃত্যুর খবর শেয়ার হয়। যদিও সেটা আভিনেতার ভেরিফায়েড পেজ নয়। কিন্তু এর ফলে অনেকেই সেই খবর বিশ্বাস করতে শুরু করেন।
এরপর উইকিপিডিয়াতেও তাঁর মৃত্যুর দিন ২৩ জুন লেখা হয়। ফলে খবর আরও বেশি করে ছড়াতে শুরু করেল যদিও পরে উইকিপিডিয়ায় সেই তারিখ মুছে দেওয়া হয়েছে।

 তবে জানা গিয়েছে, সুস্থই আছেন ভিক্টর ব্যানার্জী। তাঁর মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো।

হাওড়া শ্যামপুরে বাছরী যুব সংঘে মা সাজবেন রেশমী সুতোর সাজে

অর্পণ দাস:  হাওড়া গ্রামীণ অঞ্চলের শ্যামপুর থানার বাছরী গ্রামের "বাছরী যুব সংঘের" সার্বজনীন দুর্গোৎসবের এবছর ৫৩ তম বর্ষ । বিগত...