News H Times:- বেআইনি নির্মাণের স্বর্গ রাজ্য হাওড়া শহর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে এই মুহূর্তে হাওড়া শহরে বাস্তু জমি আর নেই বললেই চলে। কিন্তু তাতে কি! জমি হাঙরদের তাই এখন নজর পড়েছে জলাভূমি এবং পুকুরের উপরে।আইনকে কিভাবে বুড়ো আঙুল দেখাতে হয় তা তো বিলক্ষণ জানেন এই কাজের সাথে যুক্ত অসাধু প্রোমোটার চক্র।তার ওপর এদের মাথায় শাসকদলের নেতা মন্ত্রীদের আশীর্বাদের হাত তো থাকেই। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গলায় যখন প্রায়ই শোনা যায় জল ধরো জল ভরো শ্লোগান ,তখন ভাইদের (পড়ুন,দিদির ভাইদের) শ্লোগান,পুকুর ধরো পকেট ভরো।
সম্প্রতি এমনই এক অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে হাওড়ার সাঁকরাইলে।
অভিযোগ, সাঁকরাইল স্টেশনের কাছে একটি তিন বিঘা জলাভূমি ধীরে ধীরে পরিকল্পিত ভাবে ভরাট করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগের তির , রাজনৈতিক মদতপুষ্ট কিছু অসাধু প্রোমোটারের দিকে।
আরও অভিযোগ,স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি , সাঁকরাইল থানা, বিএলআরও ,বিডিও , মৎস দফতর থেকে শুরু করে মন্ত্রী অরূপ রায়ের দফতরে পর্যন্ত চিঠি লিখে জানিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও জলাভূমি ভরাট বন্ধ হয়নি। আর তাতেই রাজনৈতিক মদতের ছায়া দেখছেন এলাকাবাসী। তাই প্রশাসনের ওপর ভরসা না রেখে স্থানীয় মহিলারা এই জলাভূমি রক্ষা করতে নিজেরাই পালা করে ২৪ ঘন্টা পাহারায় বসেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য,এলাকার নিকাশি নালাগুলি এই জলাভূমিতেই গিয়ে পড়েছে।তাই বর্ষাকালে এই এলাকার জল জমা থেকে মুক্তি পেতে এই জলাভূমি ই ভরসা।কিন্তু জলাভূমিটি যেভাবে ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে তাতে এই বর্ষায় এলাকাটি ডুবে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয় লোকজন। অবিলম্বে এই জলাভূমি ভরাট বন্ধ না করলে এলাকার মানুষ প্রতিবাদে আরও বড় আন্দোলনে নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।তাদের আরোও অভিযোগ, যেভাবে জলাভূমি টির দুদিক দিয়ে রাবিশ,আবর্জনা ফেলে ভরাট করা হচ্ছে তাতে কিছুদিনের মধ্যেই ভরাট হয়ে যাবে এই জলাভূমি।






No comments:
Post a Comment